অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রটেকশন অফ সিভিল রাইটস (এপিসিআর) জানিয়েছে যে, গত এক বছরে ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা অপরাধ বেড়েছে। এই হামলাগুলো মুসলিম, দলিত, আদিবাসী এবং খ্রিস্টানদের মতো বিভিন্ন সংখ্যালঘুদের উপর ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বারবার চালানো হচ্ছে। তাদের প্রতিবেদনটির নাম ‘ঘৃণা অপরাধ প্রতিবেদন: মোদীর তৃতীয় সরকারের প্রথম বছরের চিত্রণ’।
ভারত থেকে শত শত মুসলমানকে কোনো ধরনের আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবীদের দাবি, এই বিতাড়নের পেছনে ধর্মীয় ও জাতিগত পরিচয়কে লক্ষ্য করা হচ্ছে। এতে করে ভারতের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানদের মধ্যে বাড়ছে আতঙ্ক, বিশেষ করে যাদের পূর্বপুরুষরাও সে দেশের নাগরিক ছিলেন। দুই দেশের কর্মকর্তারাও এই ‘ফেরত পাঠানোর’ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চিরপরিচিত তেহরান শহর আর আগের মতো নেই। বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ধ্বংসস্তূপ। সবার মনে এখনো এক অজানা ভয়।
সবচেয়ে বেশি আঘাত হেনেছে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে। ইসরায়েলের বর্বর হামলার শিকার হওয়া বাকি চারটি দেশ হলো—ইরান, সিরিয়া, লেবানন ও ইয়েমেন।
মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে (সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক) উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সময় এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় পদদলিত হয়ে কমপক্ষে ২৯ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
গাজায় বিতর্কিত মানবিক প্রকল্পের আড়ালে পরিচালিত খাদ্য সহায়তা কেন্দ্রগুলো এখন ‘জল্লাদখানা’য় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদিন খাবারের লাইনে অপেক্ষারত সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলিবর্ষণে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় উপত্যকাজুড়ে অন্তত ৭১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দেওয়া এক বিবৃতিতে দূতাবাস জানায়, "ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী ও তাদের মিত্রদের সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের স্পষ্ট নিন্দা এবং দৃঢ় অবস্থানের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।"
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানিদের বিজয় হয়েছে দাবি করে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, মিথ্যাবাদী জায়নবাদী শাসনের বিরুদ্ধে বিজয়ের জন্য আমি অভিনন্দন জানাই। আজ (২৬ জুন) বৃহস্পতিবার তার তৃতীয় ভিডিও বার্তায় আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, 'এত হম্বিতম্বি ও অহংকার সত্ত্বেও ইরানের আঘাতে ইসরায়েলের শাসনব্যবস্থা প্রায় ধ্বংস ও চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গিয়েছে।'